This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences. Now replace these with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences. Now replace these with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences. Now replace these with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences. Now replace these with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences. Now replace these with your own descriptions.

Nature

Header ADS

Tuesday, December 22, 2020

সকল সিমের নাম্বার দেখার কোড ২০২০




সকল সিমের নাম্বার দেখার কোড ২০২০


এই পোস্টে আমরা সকল সিমের নাম্বার জানার উপায় বা জিপি (Grameenphone) এয়ারটেল রবি টেলিটক বাংলালিংক সিমের নাম্বার চেক কোড বা দেখার নিয়ম দেখব।

নতুন সিম কিনলে কিংবা রেগুলা কোনো সিম (Sim) ব্যবহার না করলে আমাদের মোবাইল নাম্বার মনে থাকে না। অনেক সময় আমাদের নাম্বার দেখার প্রয়োজন পরে।

মোবাইল নাম্বার চেক কারার সবচেয়ে সহজ নিয়ম হচ্ছে উক্ত সিম থেকে নিচের কোডগুলো ডায়াল করা। নিচে সকল সিমের নাম্বার চেক কোড দেওয়া হলো।

সকল সিমের নাম্বার চেক কোড ২০২০

নাম্বার দেখার করার জন্য আপনার মোবাইল থেকে নিচের কোড নাম্বার ডায়াল করে উক্ত সিমের নাম্বার দেখতে পারবেন।

টেলিটক নাম্বার চেক বা দেখার কোড (Teletalk Number Check Code) হচ্ছে *551# । টেলিটক সিমের নাম্বার জানার জন্য মোবাইল থেকে উক্ত কোডটি ডায়াল করতে হবে।

বাংলালিংক নাম্বার দেখার কোড (Banglalink Number Check Code) হলো *511# । বাংলালিংক সিমের নাম্বার দেখার জন্য উক্ত কোডটি মোবাইল থেকে ডায়াল করুন।

রবি নাম্বার চেক বা দেখার কোড (Robi Number Check Code) হচ্ছে *2#। এই নাম্বার কোডটি ডায়াল করে রবি সিমের নাম্বারে দেখা যাবে।

এয়ারটেল নাম্বার দেখার কোড (Airtel Number Check Code) হলো *2#। এয়ারটেল নাম্বার দেখার জন্য মোবাইল থেকে উক্ত নাম্বারটি ডায়াল করুন।

গ্রামীণফোন নাম্বার দেখার কোড (GP Number Check Code) হচ্ছে *2# । জিপি সিমের নাম্বার দেখার জন্য আপনার মোবাইল থেকে এই নাম্বার ডায়াল করতে হবে।

Wednesday, December 16, 2020

গুরুত্বপূর্ণ ২০টি এক্সেল টিপস যা এক্সেল মাস্টার হতে সাহায্য করবে।




গুরুত্বপূর্ণ ২০টি এক্সেল টিপস যা এক্সেল মাস্টার হতে সাহায্য করবে। শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে আসবে। 

পৃথিবীর এমন লোক খুবই কম আছে যারা মাইক্রোসফট এক্সেলের ১০০% মাস্টারী করে ফেলেছেন। মাইক্রোসফট এক্সেল হলো পৃথিবী একটি প্রিমিয়ার স্প্রেডশীট এপ্লিকেশন এবং স্প্রেডশীট স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে এটিকে প্রায় ২০ বছরের বেশি ধরে তার রাজ্যত্ব ধরে রেখেছে। স্প্রেডশীট এপ্লিকেশন হিসেবে বাজারে Lotus 1-2-3, Quattro Pro, Google's Sheets ইত্যাদি এপ্লিকেশনগুলো থাকলেও আমরা মূলত মাইক্রোসফট এক্সেলকেই বেশির ভাগ সময় ব্যবহৃত করে থাকি। শুধুমাত্র মাইক্রোসফট ব্রান্ডের সফটওয়্যারের কারণেই আমরা এক্সেলকে ব্যবহার করিনা, এক্সেলের রয়েছে হরেক রকমের ফিচার এবং অপশনস যেগুলো দিয়ে আমরা আমাদের স্প্রেডশীটের চাহিদা মেটাতে পারি। বর্তমানে মাইক্রোসফট এক্সেলকে Microsoft 365 এপ্লিকেশন প্যাকেজে অন্তর্ভূক্ত করে দেওয়া হয়েছে তাই এক্সেল ২০১৩ ভার্সন থেকে আমরা এক্সেলের সবউন্নত সংস্করণের সেবা পাচ্ছি। এক্সেলকে আমরা বহু রকম ভাবে ব্যবহার করতে পারি। একে আমরা চাইলে স্প্রেডশীট ম্যানেজার হিসেবে ব্যবহার করতে পারি, চাইলে কনট্রাক ম্যানেজার হিসেবে ব্যবহার করতে পারি, চাইলে ফ্ল্যাট-ফাইল ডাটাবেস হিসেবে ব্যবহার করতে পারি অথবা চাইলে ফুল ফরম্যাটের কাস্টমার রিলেশনশীপ ম্যানেজার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারি। আবার অনেকেই আছেন যারা এক্সেলকে ওয়ার্ড প্রসেসিং সফট হিসেবেও ব্যবহার করে থাকেন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে!

২০টি দুর্দান্ত এক্সেল টিপস যেগুলোর সাহায্যে আপনিও হয়ে উঠবেন এক্সেল মাস্টার!  

১ঃ- কন্ট্রোল + শিফট!

সাধারণত কম্পিউটারে কোনো কিছু সিলেক্ট করতে চাইলে আমরা মাউস এবং মাউস কার্সরের উপর নিভর্রশীল হয়ে থাকি। এক্সেলেও কোনো ডাটাসেটকে সিলেক্ট করতে চাইলে আমরা মাউসের সাহায্য নিয়ে থাকি, কিন্তু মাউসের থেকেও দ্রুত এবং কার্যকরী উপায়ে স্প্রেডশীট ডাটাসেটকে সিলেক্ট করা যায়। এ জন্য প্রথমে আপনাকে প্রথম সেলে কার্সরটি ক্লিক করে নিয়ে যেতে হবে তারপর Ctrl+Shift দুটি বাটন একসাথে চেপে আপ/ডাউন/লেফট কিংবা রাইট এরো কী চেপে দেখুন উক্ত রো সিলেক্ট হয়ে যাবে। আর কোনো রো কিংবা কলামের সবগুলো সেলকে একসাথে সিলেক্ট করতে চাইলে Ctrl+Shift+End বাটনটি চাপুন, কাজ হয়ে যাবে। আর Ctrl+Shift+* বাটনটি চাপলে পুরো ডাটাসেটটি সিলেক্টেড হয়ে যাবে যেখানেই আপনার কার্সরটি থাকুক না কেন!

২ঃ-অটোফিল

এক্সেলের কোনো রো বা কলার অটোফিল করার জন্য আলাদা কোনো এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটির দরকার হয় না! যেমন একই লেখা একটি রো’তে বারবার না লিখে কিংবা একই মাসের তারিখগুলো যদি ক্রমান্নয়ে লিখে যাবার প্রয়োজন হয় তাহলে সেলের শেষের দিকে গিয়ে একটি প্লাস (+) সাইন পাবেন সেখানে ক্লিক করুন, তারপর সেখান থেকে ড্রাগ করে যতগুলো রো ফিল করার প্রয়োজন হবে সেগুলো ফিলআপ করে ফেলুন সিলেক্ট করে এবং তারপর পর ড্রাগ মুভমেন্টটি ছেড়ে দিন, ব্যাস! ম্যাজিক্যালীভাবে রো গুলো ডাটা দিয়ে অটোফিল হয়ে যাবে। এই পদ্ধতিটি আপনি শুধুমাত্র রোগুলোতেই নয় বরং কলামেও করতে পারবেন যদি সঠিকভাবে করতে পারেন তাহলেই।

৩ঃ-ফ্ল্যাশ ফিল


মাইক্রোসফট এক্সেলের একদম নতুন সংস্করণে এই নতুন ফিচারটি যুক্ত করা হয়েছে যেটি ফ্ল্যাশ ফিল নামে পরিচিত। ফ্ল্যাশ ফিল জিনিস বেশ কাজের যদি আপনি সিরিয়াস ডাটাশীটের কাজ প্রতিনিয়ত করে থাকেন তাহলে। ফ্ল্যাশ ফিল আপনার আগের কলামগুলোর সাহায্যে একটি স্মার্ট কলামে তথ্যগুলোকে সন্নিবেশিত করে দিবে। বর্তমানে শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষায় এটি চিনতে পারে তবে অদূর ভবিষ্যৎতে আমরা বাংলা ভাষাতেও এটি করতে পারবো বলে আমি আশা করি।

ফ্ল্যাশ ফিল এভাবে কাজ করে যেমন ধরুন প্রথম কলামে যদি কোনো ফোন নাম্বার থাকে এভাবে “01710000000“ এবং দ্বিতীয় কলামে যদি আপনি এভাবে টাইপ করা শুরু করেন “01710-00-00-00“ তাহলে দ্বিতীয় রো’তে এক্সেলের এই ফ্ল্যাশ ফিলটি একই প্যাটানে আপনার কাজটি অটোমেটিক্যালী ভাবে কাজ করা শুরু করে দিবে। আপনাকে দ্বিতীয় রো’তে শুধু এন্টার দিয়ে যেতে হবে তাহলেই হচ্ছে।

৪ঃ- টেক্সট টু কলামস

আপনি চাইলে এই পদ্ধতিটি ফ্ল্যাশ ফিলের মাধ্যমে ট্রাই করে দেখতে পারেন তবে টেক্স টু কলামস হচ্ছে একটি আরো আধুনিক এক্সেল ফিচার! ধরুন আপনার কাছে একটি পুরো কলাম রয়েছে যেটি অনেকগুলো নাম দিয়ে ভরা। আর এখানে আপনি চাচ্ছেন যে এই কলামের সবগুলো নামকে দুটি কলামে বিভক্ত করে ফেলতে। কিন্তু সাধারণ ভাবে এই কাজটি করতে গেলে কপি পেস্ট এর ঝামেলা সহ অনেক সময়ের প্রয়োজন হবে। কিন্তু টেক্স টু কলামস এর সাহায্যে আপনি এ কাজটি অতি সহজে এবং দ্রুততর ভাবে করে ফেলতে পারবেন।

প্রথমে ডাটাগুলোকে সম্পূর্ণরূপে সিলেক্ট করে নিন। এরপর ডাটা ট্যাব থেকে Text to Columns অপশনে ক্লিক করুন। এবার Delimiters কিংবা Fixed Width এর ভিক্তিতে পরিমাপ করিয়ে নিন। এরপর ম্যাজিকের মতো আপনার এন্ট্রিগুলো দুটি কলামে আপনার পছন্দমতই বিভক্ত হয়ে যাবে।

৫ঃ- ট্রান্সপোজ পেস্ট!

ধরুন আপনার কাছে কয়েকটি রো রয়েছে, যেগুলোকে আপনি কলামে রূপান্তরিত করে ফেলতে চান, কিন্তু সাধারণ হিসেবে এটা করতে গেলে বেশ কস্ট এবং সময় ব্যয় করতে হবে সেল বাই সেল মুভ করতে করতে। কিন্তু ট্রান্সপোজ পেস্ট এর মাধ্যমে আপনি এই কাজটিও অতি সহজেই করে ফেলতে পারবেন। রোগুলোকে কপি করে ফেলুন, এবার পেস্ট করার আগে রাইট বাটন ক্লিক করে Paste Special অপশনে ক্লিক করুন এবং সেখান থেকে Transpose Box টিকে টিক চিহ্ন দিয়ে নিন, এবার পেস্ট দেবার সময় দেখবেন যে আপনার কপিকৃত ডাটাগুলোর অরিয়েন্টেশনটি পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। এই টিপসটি আগে না জানতে এখনি এটা ট্রাই করে দেখে নিন। বেশ কাজের জিনিস এটি।

৬ঃ- মাল্টিপল সেলে একই ডাটা।

কোনো কারণবশত আপনাকে যদি একাধিক সেলে একই ডাটা বার বার টাইপ করতে হয় তাহলে সেটি অনেকটা বিরক্তিকর এবং একঘেয়েমি জাতীয় হয়ে যায়। সাধারণত নিয়মে এই কাজগুলো না করে কিছু বিশেষ টিক্সস এর মাধ্যমে এই জাতীয় এক ঘেয়েমির কাজ গুলো করে নিলে সময় ও শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে। আর অফিসে সময়ের থেকে মূল্যবান আর কিছুই নেই।

প্রথমে আপনি আপনার কাঙ্খিত সেলগুলোতে কন্ট্রোল বাটন চেপে একে একে সিলেক্ট করে নিন যেগুলোতে একই ডাটা বারবার লিখবেন। এরপর শেষের সেলে এসে সিলেক্ট না ছেড়ে দিয়ে শেষ সেলে ডাটাটি লিখুন আর Ctrl+Enter চাপুন। দেখবেন যে আপনার সিলেক্টকৃত সেলগুলোতে শেষের সেলের লিখিত ডাটাটি কপিপেস্ট হয়ে গিয়েছে! এটিও আরেকটি বেশ কাজের টিক্সস মাইক্রোসফট এক্সেলে! আগে জেনে না থাকলে এটি এখনই ট্রাই করে দেখতে পারেন আপনি।

৭ঃ-ফরমুলার সাথে স্পেশাল পেস্ট!

ধরুন আপনার কাছে একটি স্প্রেডশীট রয়েছে এবং সেখানে আপনার কাছে রয়েছে অনেকগুলো নাম্বার যেগুলো ডেসিম্যাল (decimal) ফরম্যাটে রয়েছে। এখন এইগুলোকে আপনি পারসেন্টেজ হিসেবে দেখাতে চাচ্ছেন আবার সমস্যা হলো নিউমেরিক্যাল ১ কিন্তু ১০০% হিসেবে দেখালে চলবে না। কিন্তু সাধারনত এক্সেলে পারসেনটেজ স্টাইল বাটনে ক্লিক করলে এই সমস্যায় পড়বেন আপনি। ১ কে ১% হিসেবে দেখাতে চাইলে আপনার স্পেশাল পেস্ট অপশনটির সাহায্য নিতে হবে।

প্রথমে একটি সেলে লিখুন ১০০ এবং এটিকে কপি করুন, তারপর আপনার যে সকল নাম্বারগুলোকে রিফরম্যাট করতে হবে সেগুলোর সবটিকে সিলেক্ট করে নিন। এবার রাইট বাটন ক্লিক করে পেস্ট স্পেশাল অপশনটি নির্বাচন করুন। সেখান থেকে Divide বাটনটি সিলেক্ট করে OK করে দিন। ব্যাস এবার ম্যাজিক দেখুন।

৮ঃ- চার্টে গ্রাফিক্সের ব্যবহার।

আপনি চাইলে যেকোনো চার্টে গ্রাফিক্সের ব্যবহার করতে পারেন, আই মিন যেকোনো চার্টে। আর চার্টে গ্রাফিক্সের প্রতিটি আলাদা উপাদান যেমন বার, পাই পিস ইত্যাদিকে আলাদা করে এডিট করারও অপশন এক্সেলের রয়েছে। যেমন একটি পাই চার্টে আপনি বাংলাদেশের পতাকার স্টাইলে কালার করে নিতে পারবেন। এবং এছাড়াও টেকটিউনসের লোগোকে ইনসার্ট করিয়ে নিতে পারবেন। এছাড়াও no fill অপশনটির সাহায্যে ফাঁকা বক্সের মাধ্যমে আপনি চার্টে একটি ইউনিক গ্রাফিক্সের কাজ করতে পারেন। তবে একটি চার্টে একাধিক গ্রাফিক্সের সংমিশ্রন ঘটালে সেটি পড়ার জন্য বেশ কস্টসাধ্য হয়ে পড়বে এবং বিশ্রি দেখাবে। তাই কোনো কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়।

৯ঃ- চার্টকে টেমপ্লেট হিসেবে সংস্করণ করুন।

এক্সেলের অনেক ধরনের চার্টস রয়েছে টেমপ্লেট হিসেবে যেগুলো আপনার দৈনিক ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট! তবে আপনার নির্দিষ্ট কাজের জন্য ১০০% পারফেক্ট চার্ট এক্সেল আপনাকে সবসময় সরবরাহ দিতে পারবে না এটা চিরন্তন সত্য কথা।

তবে এক্সেলের এই প্রতিটি চার্টগুলোকে আপনি নিজের মতো করে কাস্টমাইজ করে নিতে পারবে অথবা আপনার নিজের চার্টকে আপনি টেমপ্লেট হিসেবেও সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। দারুণ একটি ফিচার! আপনার চার্টটি পারফেক্ট ভাবে সাজানো হয়ে গেলে চার্টটিকে সিলেক্ট করে রাইট বাটন ক্লিক করুন তারপর Save as Template অপশনে ক্লিক করে চার্টটিকে টেমপ্লেট হিসেবে সংরক্ষণ করে নিন। এবার আপনার এই চার্টটিকে আপনি Insert > Recommended Charts > All Charts > Templates > My Templates Box থেকে পেয়ে যাবেন।

১০ঃ- 3D Sum

থ্রিডি সাম বলতে একাধিক শীটের সেলসগুলোকে নিয়ে একসাথে কাজ করাকে বুঝিয়ে থাকে। একটি ওর্য়াকবুকে যখন একাধিক শীট থাকে এবং এই শীটগুলোর যখন লেআউট একই রকমে থাকে তখন আপনি এই শীটগুলোর সেলগুলোকে একসাথে নিয়ে একই সাথে কাজ করতে পারবেন। যেমন সকল শীটের ৩য় কলামে টাকার পরিমান লেখতে হয় তখন আপনি এই 3D Sum ফিচারটির ব্যবহার করতে পারেন এবং সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচাতে পারবেন।

এর জন্য এই ফরম্যাটের একটি ফরমুর্লাকে ব্যবহার করুন: =sum('Y1:Y10'!B3) এখানে SUM ফরমুর্লায় Y1 থেকে Y10 সেল পর্যন্ত গণনা হবে আর প্রতিটি শীটের B3 সেলগুলোই এই ফরমূর্লার অন্তর্ভুক্ত হবে। এইভাবে আপনি হয়ে উঠতে পারেন এক্সেল মাস্টার!

১১ঃ- লুকান!

এক্সেলের কোনো রো বা কলাম কে আপনি সহজেই হাইড করে রাখতে পারবেন। সরাসরি রো বা কলামকে সিলেক্ট করে লেটার বা নাম্বার হেডারের উপর রাইট ক্লিক করে Hide অপশনটি সিলেক্ট করুন। আবার আনহাইড করার জন্য একই প্রক্রিয়ায় কলাম অথবা রোকে সিলেক্ট করে রাইট বাটন ক্লিক করে Unhide অপশনে ক্লিক করলেই হয়ে যাবে।

১৩ঃ- ম্যাক্রোর জন্য পারসোনাল ওয়ার্কবুক।

যখন আপনি কোনো সম্পূর্ণ ওয়ার্কবুককে আনলাইড করেন তখন আপনি দেখবেন যে Personal.XLSB নামের একটি ফাইলও আনহাইড হয়ে যাবে। এটি আসলে হলো আপনার জন্য একটি পারসোনাল ওয়ার্কবুক যেটি এক্সেল আপনার জন্য ক্রিয়েট করে রেখেছে। এর কারণ হচ্ছে ম্যাক্রো। এক্সেলে যখন আপনি কোনো ম্যাক্রো ক্রিয়েট করেন তখন সাধরণতই এটি সকল সিঙ্গেল স্প্রেডশীটের ক্ষেত্রেই কাজ করবে না। তবে আপনি যদি Personal.XLSB এতে ম্যাক্রো স্টোর করে রাখেন তাহলে সেটিকে আপনি সহজেই সবর্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন।

১৪ঃ- Pivot!

পিভট হচ্ছে এক্সেল এর একটি গুরুত্বপূর্ণ টেবিল অপশন যেটির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি এক্সেলে বড়সড় আকারের ডাটা কালেক্টশন জমা রাখতে পারবেন এবং এখান থেকে আপনার চাহিদা অনুসারে ডাটা খুঁজে বের করিয়ে আনতে পারবেন। ধরূন আপনার কাছে এ বছরের সমস্ত স্টুডেন্টদের সকল টেস্টের সকল ফাইলগুলোর ডাটা জমা রয়েছে মাস ভিক্তিক আকারে। এখানে আপনি PivotTable ব্যবহার করে প্রতিটি স্টুডেন্টের জন্য প্রতি মাসের আলাদা ডাটা সেট করিয়ে নিয়ে কাজের চাপ কমাতে পারবেন। PivotTable আপনি ব্যবহার করতে পারবেন Insert ট্যাবের আন্ডারে। প্রথম বারে আপনি Recommended PivotTables অপশনটি ট্রাই করে দেখতে পারেন সহজে বোঝার জন্য।

১৫ঃ- কন্ডিশন ফরম্যাট!

যারা ব্যবস্যাক্ষেত্রে বা চাকুরির কাজের ক্ষেত্রে বড়সড় আকারের বিশাল বিশাল ডাটাবেজ নিয়ে কাজ করেন তারা বুঝবেন যে একটি বিশাল ডাটাবেজ থেকে হাইলাইট বের করা কত কঠিন। কোন ডাটাটি হাইয়েস্ট স্কোর, লোয়েস্ট স্কোর, টপ ফাইভ কোনগুলো ইত্যাদি। এক্সেলের Conditional Formatting অপশনটির সঠিক ব্যবহারের আপনি এই কাজগুলোই সহজে পিসিতে করিয়ে নিতে পারবেন। এটি প্রতিটি সেক্টরে একটি গ্রাফ বিল্ড করে নিয়ে আপনার সামনে তথ্যগুলোকে সন্নিবেশিত করে সাজিয়ে উপস্থাপন করবে আপনার বোঝার সুবিধার্তে।

১৬ঃ- ডাটা ভেলিডেশন।

অন্যদের ব্যবহারের জন্য স্প্রেডশীট বানাচ্ছেন? তাহলে অন্যদের কাজের সুবির্ধাতে আপনি এক্সেল স্প্রেডশীটে ড্রপ ডাউনলোড মেনু ক্রিয়েট করে নিয়ে অন্যদেরকে দিক নির্দেশনা দিতে পারেন যাতে তারা স্প্রেডশীটকে জঘন্য না বানিয়ে ফেলে! এর জন্য নির্দিষ্ট সেল বা সেলগুলোকে সিলেক্ট করুন। ডাটা ট্যাবে যান এবং Data Validation অপশনে যান এবং এখান থেকে Allow > List > Source ফিল্ডে চলে যান এবং একটি লিস্ট টাইপ করুন। ব্যাস হয়ে গেল।

১৭ঃ- স্ক্রিণশট

এক্সেলে আপনি খুব সহজেই স্প্রেডশীটে স্ক্রিণশট যুক্ত করতে পারবেন। এর জন্য সরাসরি Insert ট্যাবে যান এবং Screenshot অপশনটিকে সিলেক্ট করুন এবং এটির একটি ড্রপড্রাউন মেন্যু আপনি পেয়ে যাবেন।


১৮ঃ- এক্সেল টু ওর্য়াড!

দশ বছর আগেও এক্সেল থেকে ওর্য়াডে বা পাওয়ারপয়েন্টে ডাটা ট্রান্সফার করাটা অনেকটা জিনিয়াসের কাজ বলেই মনে করা হতো কিন্তু বর্তমানে এটি মামার বাড়ির মোয়ার মতোই সহজ। এবার আপনি স্প্রেডশীটের ডাটা সেলকে বা গ্রাফিক্যাল চার্টকে কপি করেই উক্ত ডাটা বা গ্রাফিক্যাল চার্টকে অন্য প্রোগ্রামে গিয়ে পেস্ট করতে পারবেন ডাটার কোনো হেরফের করা ছাড়াই। তবে এক্সেল টি চালু থাকা অবস্থায় এক্সেলের ডাটার পরিবর্তন করলে ওয়ার্ডের আপনি উক্ত ডাটার পরিবর্তনটি দেখতে পারবেন।

১৯ঃ- ফরর্মুলা মাস্টার!

মাইক্রোসফট এক্সেলে আপনি যখন কোনো ফরর্মুলা লেখতে যান তখন সেলসগুলোকে তাদের পজিশনের মাধ্যমে চিহ্নিত করে থাকেন, যেমন A1, B1, C1 ইত্যাদি। এমনি ভাবে আপনি যখন কোনো ফরর্মুলাকে কপি করে পরবর্তী সেলে পেস্ট করেন তখন এক্সেল উক্ত সেলটিকে সিফট করে দিবে। এই সিফটিংকে বন্ধ করতে চাইলে সেলের নামের আগে $ চিহ্নটি বসিয়ে নিন। যেমন $A6, $B1, $D2 ইত্যাদি। যেমন $A1 দিলে A কলামে শিফটিং বন্ধ হবে, আবার A$1 দিলে রো’তে শিফটিং বন্ধ হবে এবং $A$1 দিলে সর্বদিক থেকে শিফটিং বন্ধ হয়ে যাবে।

এই পদ্ধতিতে একটি সিঙ্গেল সেলে অনেক কমপ্লেক্স ফরমূর্লার ব্যবহার করতে হয় এমন ক্ষেত্রে এটি আপনার বেশ কাজে দেবে।

২০ঃ- শর্টকাট!



অনান্য সকল সফটওয়্যারের মতোই মাইক্রোসফট এক্সেলেরও রয়েছে বেশ কিছু কাজের কীবোর্ড শর্টকাট। তাদের মধ্যে নিয়ে কয়েকটি বেস্ট কীবোর্ড শর্টকাটগুলো আজকের টিপসের শেষ ধাপে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি:

Ctrl+; = আজকের দিনটি এন্ট্রি করে দেবে

Ctrl+Shift+: = আপনার পিসির বর্তমান টাইমটি এন্ট্রি করে দেবে

Ctrl+Shift+# = কোনো ডেটের ফরম্যাট পরিবর্তন করতে পারবেন

Ctrl+5 = সেলের কোনো টেক্সে Strikethrough দিতে পারবেন

Ctrl+0 = সিলেক্টকৃত কলামকে হাইড করবে

Ctrl+9 = সিলেক্টকৃত রো’কে হাইড করবে

Ctrl+F6 = অন্য উইন্ডোতে এক্সেল ফাইলগুলো চালু করবে এবং সুইচিং এর কাজ করবে

Ctrl+`= শীটের ভিউকে টুগেল করবে সমস্ত ফরর্মুলাকে দেখবার জন্য।

F2 = বর্তমান সিলেক্টকৃত সেলকে এডিট করতে পারবেন!

Shift+F10 = সিলেক্টকৃত সেলের রাইট ক্লিক মেনুকে ওপেন করবে।


এক্সেল মাস্টার হতে আপনাকে এই ২০টি টিপস এবং টিক্স এর উপর মাস্টারি করতে হবে। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

সফলতার সিড়ি এক ধাপ এগিয়ে নিতে অফিস ম্যানেজমেন্ট কোর্স।




সফলতার সিড়ি এক ধাপ এগিয়ে নিতে অফিস ম্যানেজমেন্ট কোর্স। চাকুরি বা ব্যবসার ক্ষেত্রে সফলতার অন্যতম চাবি কম্পিউটার শিক্ষা। অফিস ম্যানেজমেন্ট কোর্স করে চাকুরি চাকুরি বা ব্যবসার ক্ষেত্রে বাড়িয়ে তুলন নিজের সফলতার সিড়ি। 


কম্পিউটার অফিস ম্যানেজমেন্ট কাকে বলে?

সর্বক্ষেত্রে কম্পিউটার শিক্ষা দরকার যা কিনা বর্তমান যুগের একমাত্র চাবি বলা চলে। আপনি একটু লক্ষ্ করেন যে চাকুরি বার্তা খুলতেই চোখে পরে কম্পিউটার জানা অত্যাবশ্যক এবং তিন অথবা ছয়মাসের কোর্সের সাথে এ্যাপটিচিউড টেষ্টে উর্ত্তীণ হতে হবে। তাই সবার আগে আপনাকে কম্পিউটার অফিস ম্যানেজমেন্ট বা কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশণ কোর্সটি জানতে হবে । যেমন অফিসের অফিস চার্ট, গ্রাফ, টেবিল, নোটিশ, স্প্রীডসীট, ডাটাসীট, রিপোর্ট, প্রেজেন্টেশন , গানিতিক বিষয় গুলো এ্যাডভান্সড লেভেল শিখতে হবে। ইত্যাদি বিষয় গুলো আপনাকে দক্ষতার সহিত করতে হবে এবং তা শিখতে হবে। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে, একটা অফিসের অফিস চার্ট, গ্রাফ, টেবিল, নোটিশ, স্প্রীডসীট, ডাটাসীট, রিপোর্ট, প্রেজেন্টেশন, গানিতিক বিষয় গুলো সঠিক ভাবে পরিচালনা করাকে আমরা কম্পিউটার অফিস ম্যানজমেন্ট বলি।




অনেক অলসতা আর খামখেয়ালী হয়ে কম্পিউটার কোর্স টি না করার কারনে এক সময় চাকরি ও বিজনেস শুরু করতে গিয়ে আটকে যায় এতে করে পরবর্তীতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে । সময় নষ্ট না করে কম্পিউটার এর হাতে করি টা খুব শীঘ্রয় করে নিন এতে করে আপনার প্রফেশনাল জীবনটা সহজ হয়ে উঠতে পারে ।

কম্পিউটারের ফান্ডামেন্টাল কোর্সটি করতে সাথেই থাকুন। 


Youtube Channel: A.J.P Urmi IT Institute 
 

আমরা কম্পিউটার এর উপর বেশ কিছু কোর্স নিয়ে আসছি বেসিক থেকে এডবান্স লেভেল পর্যন্ত।

কেন আপনি এই অফিস ম্যানেজমেন্ট কোর্সটি শিখবেন?

বর্তমান পেক্ষপট অনুযায়ী কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন কোর্স করে ব্যক্তিগত, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, পারবারিক, সামাজিক, অফিস-আদালত ইত্যাদি কর্মক্ষেত্রে এই অফিস কোর্সটি দরকার এবং গুরুত্বপুন এখন যারা ল্যাপটপ ও কম্পিউটার ব্যবহার করে তাদের অফিসিয়াল কোর্সটি দারকার। ব্যাক্তিগত বা অফিসিয়াল কাজে দেখা গেল আপনার একটি লোগ বা গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি টেপপ্লেট বা ওয়েব ডিজাইনে লাগে সে ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এই অফিস ম্যানেজমেন্ট বা অফিস এ্যাপ্লিকেশন কোর্সটি জানা অত্যাবশ্যক।

যেহেতু বর্তমান সময় সর্ব ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার। চাকরি ,অফিস অথবা ব্যবসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার জানা অত্যাবশ্যক। কম্পিউটারের ফান্ডামেন্টাল কোর্স টি করে নিলে আপনার আপনার কম্পিউটারের ব্যাক্তিগত বা অফিসিয়াল কাজগুলো নিজেই করে নিতে পারবেন ।

অনেক অলসতা আর খামখেয়ালী হয়ে কম্পিউটার কোর্স টি না করার কারনে এক সময় চাকরি ও বিজনেস শুরু করতে গিয়ে আটকে যায় এতে করে পরবর্তীতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে । সময় নষ্ট না করে কম্পিউটার এর হাতে করি টা খুব শীঘ্রয় করে নিন এতে করে আপনার প্রফেশনাল জীবনটা সহজ হয়ে উঠতে পারে ।


এই কোর্সে বিশেষ করে যা টাইটেল হিসেবে ব্যবহৃত হযঃ

কম্পিউটার বিষয়ে নানা ধরণের কাজের বিবরণ ছাড়াও অসাধান টিপস যে গুলো দিয়ে আপনি সহজে অপারেটিং সিষ্টেমের নানা অসুবিধা সমাধান করতে পারবেন। আপনি কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন কোর্স করে কি হবে বা এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা সহ প্যাকটিক্যাল কি প্রাথমিক ভাবে প্রত্যেকটি বিষয়ে দেখানো।

ওয়ার্ড যা থাকছে:

১ঃ- বাংলা ইংরেজি টাইপিং পদ্ধতি ও কৌশল।
২ঃ- পেজ সেটাপ ও প্রিন্ট। 
৩ঃ- কবার পেইজ এন্ড লেআউট তৈরি। 
৪ঃ- সেভ করার ভিন্ন আইটাম এবং ভিন্ন ফরমেট তৈরি।
৫ঃ- বিভিন্ন অকারে টেষ্ট বা লেখা ডিজাইন
৬ঃ- সিভি,বিজনেস কটোশান তৈরি
৭ঃ- টেবিল ,সার্টিফিকেট, বুককবার ও আইডি কার্ড তৈরি। 
৮ঃ- শেপ দিয়ে ভিবিন্ন ডিজাইন তৈরি। 

আরো থাকছে অসাধারন কিছু কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতার সৃষ্টি আরো আছে…..

মাইক্রোসফট এক্সেল যা থাকছে:

১ঃ- স্প্রেডশীটের তৈরির ফরমেট।

২ঃ-স্প্রেডশীটের কাজ করার করার কৌশল।

৩ঃ-রিপোর্টশীট বা ব্যবসা পরিচালনার সীটতৈরি।

৪ঃ- চার্ট, গ্রাফ ইত্যাদি বিষয়গুলো ডিজাইন করা

রেসাল্ট সিট তৈরি।

৫ঃ-শ্রমিক মজুরি তৈরি করা।

৬ঃ-স্যলারি সিট তৈরি করা।

৭ঃ-দোকানের ও কোম্পানি হিসাব তৈরি করা।

৮ঃ-জন্মতারিখ।

৯ঃ-ক্যালেন্ডার তৈরি করা।

১০ঃ- ইলেকট্রিক বিল ও ট্যাক্স তৈরি করা।

স্পেশাল থাকছে!!!

১ঃ- এক্সেল দিয়ে মিউজিক প্লেয়ার তৈরি করা।

২ঃ- এক্সেল দিয়ে গেইম তৈরি করা, স্ন্যাক ধাবা, টিক-টক, পাজিল ইত্যাদি।

৩ঃ স্কুল মেনেজমেন্ট সফটওয়্যার তৈরি করা।

৪ঃ- পয়েন্ট অফ সেল সিস্টেম তৈরি করা।

৫ঃ- সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর তৈরি করা।

এক্সেল মাস্টার হতে যা যা প্রয়োজন।



মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট যা থাকছে:

১ঃ- কিভাবে সেভ করা এবং স্লাইড তৈরি ও প্রক্রিয়া ধাপ

২ঃ- অসাধারণ কিছু ডিজাইন টেমপ্লেট তৈরি কৌশল

৩ঃ- ইউনিভার্সটি প্রেজেন্টাশান তৈরি করা

৫ঃ- বিজনেস প্রপোজাল তৈরি করা

৬ঃ- নিউজ প্রজেন্টেশান তৈরি করা

৭ঃ- বিভিন্ন প্রোগ্রামের এড তৈরি করা

আরো থাকছে কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন বা অফিস ম্যানেজমেন্ট কোর্সে সম্পর্কিত নানা বিষয় নিয়ে কথা ও ব্যবহার।

কোর্সটি করে কি সুবিধা পাওয়া যাবে:

১ঃ- প্রতিটি টিউটোরিয়াল শেষে প্যাকটিক্যাল ক্লাস।

২ঃ- টিউটোরিয়াল অনুশীলন করার পর মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ক্লাস নেওয়া হবে।

৩ঃ- ভিডিও টিউটোরিয়ার ও পিডিএফ হ্যাডনোট ডাউনলোড লিংক।

৪ঃ- সফটওয়ার ও সোর্স ফাইল।

৫ঃ- সাপোর্ট আজীবনের জন্য ও আরো অনেক কিছু।
 

আরো থাকছে অসাধারন কিছু কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতার সৃষ্টি।


আরো থাকছে কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন বা অফিস ম্যানেজমেন্ট কোর্সে সম্পর্কিত নানা বিষয় নিয়ে কথা ও ব্যবহার।

কোর্সটি করে কি সুবিধা পাওয়া যাবেঃ

১ঃ- প্রতিদিনের প্যাকটিক্যাল ক্লাসের ব্যবস্থা

২ঃ- মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ক্লাস নেওয়ার সু-ব্যবস্থা

৩ঃ- ভিডিও টিউটোরিয়ার ও পিডিএফ ডাউনলোড লিঙ্ক। 

৪ঃ- সফটওয়ার ও সোর্স ফাইল। 

৫ঃ- সাপোর্ট আজীবনের জন্য ও আরো অনেক কিছু।


প্রশিক্ষন ফি : সূম্পুর্ন বিনামূল্যে।

রেজিষ্ট্রেশনের নিয়মঃ- 

১ঃ- শিক্ষা যোগ্যতা।
২ঃ- মোবাইল নাম্বার।
৩ঃ- ইমেইল এড্রেস।
৪ঃ- উইন্ডোজ ভার্সন।
৫ঃ- ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন। এই কোর্সের সকল টিউটোরিয়াল আমাদের চ্যানেলে আপলোড করা হবে।



যাদের জন্য এই কোর্সটিঃ-
❏ চাকুরীজীবীঃ যিনি অফিস করার কারণে সময় পাচ্ছেন না।
❏ গৃহিণীঃ সময়ের অভাবে যারা বাইরে বের হতে পারছেন না, ঘরে বসেই কোথাও কোর্স করতে চান।
❏ শিক্ষার্থীঃ যে রেগুলার ক্লাসের বাইরে অন্য কোথাও প্রশিক্ষণ নিতে পারেনা, অথবা সময় হয় না।
❏ বেকারঃ আমাদের উদ্দেশ্য বেকারত্ব দূর করা। তাই কাজ শিখে আয় করার মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করার জন্য আমাদের এই কোর্স করতে পারবেন।

Monday, December 14, 2020

১০টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস নতুন গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য


আপনার পেশা যাই হোক না কেন গ্র্রাফিক ডিজাইন এখন আপনার সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত, হোক সেটা ওয়েব সাইট অথবা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য কোন কাভার ফটো এগুলো আপনাকে করতেই হয় | তাই গ্রাফিক ডিজাইন এর টুকটাক জ্ঞান সবার থাকা উচিত|

যারা গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে কাজ শুরু করেছেন তাদের জন্য ১০টি টিপস অনেক কাজে আসবে| যদি আপনি টিপস গুলো মেনে চলেন তাহলে আশা করা যায় আপনি ধীরে ধীরে প্রোফেশনাল হয়ে উঠবেন | কারণ একটা বিষয় মনে রাখবেন আপনি কখনো ১ মাসে প্রোফেশনাল হতে পারবেন না আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে যা আপনাকে প্রোফেশনাল হতে সাহায্য করবে |

আপনাকে দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে ইলাস্ট্রেটর, ফটোশপ এবং ইনডিজাইন ভালো ভাবে শিখতে হবে |  প্রোফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে হলে নিচের ১০ টি টিপস অনুসরণ করে আপনার যাত্রা শুরু করতে পারেন।

 

১ | ডিজাইন নিয়ে ভাবুন

কোন ডিজাইন করার আগে অবশ্যই সেই ডিজাইন নিয়ে ভাবতে হবে | ডিজাইন নিয়ে পড়াশুনা করতে হবে | দেখতে হবে আপনি যে ডিজাইন করতে যাচ্ছেন তা বর্তমান সময় কিভাবে করতে হয় | ভুলে যাবেন না আপনি নতুন কাজ করছেন আপনাকে অবশ্যই দেখতে হবে প্রোফেশনালরা  কিভাবে কাজ করেন | আপনাকে অবশ্যই অনেক বেশি রিসার্স করতে হবে বর্তমানে যে ধরনের ডিজাইন চলছে তা নিয়ে |

২ | কি ধরনের ডিজাইন করতে চান সিদ্ধান্ত নিন

আপনি কি ধরনের ডিজাইন করতে চাচ্ছেন সেটা ঠিক করে নিয়ে ডিজাইন শুরু করুন | এমন যেন না হয় কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই ডিজাইন করে ফেললেন | ধরুন আপনি লোগো ডিজাইন করবেন তাহলে আপনাকে আগে ঠিক করতে হবে আপনি কি ধরনের লোগো ডিজাইন করবেন | আপনি কি লেটারমার্ক লোগো ডিজাইন করবেন নাকি সিম্বলিক লোগো ডিজাইন করবেন সে সিদ্ধান্তটি আপনাকে আগে নিয়ে নিতে হবে তারপর ডিজাইন এর কাজ শুরু করতে হবে |

৩ | ধৈর্য সহকারে ডিজাইন করুন

ডিজাইন করার সময় ধৈর্য সহকারে ডিজাইন করবেন, তাড়াহুড়া করে ডিজাইন করবেন না | তাড়াহুড়া করে ডিজাইন করলে তা আপনার জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না | সময় নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করে ডিজাইন করুন কারণ আপনার এই ডিজাইনই  আপনাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে প্রোফেশনাল হতে সাহায্য করবে |

৪ | সঠিক ফন্ট নির্বাচন করুন

আপনার ডিজাইনের জন্য সঠিক ফন্ট নির্বাচন করুন | এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে ধরুন আপনি লোগো ডিজাইন করবেন তাহলে আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে লোগো ডিজাইন এর জন্য কি কি ফন্ট বেশি ব্যবহার হয় আবার ধরুন আপনি ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন করবেন তাহলে আপনাকে খুঁজে বের করতে  হবে ভিজিটিং কার্ড ডিজাইনের জন্য কি কি ফন্ট বেশি ব্যবহার করা হয় | ঠিক এই ভাবে প্রতিটি ডিজাইন শুরু করার আগে ঐ ডিজাইনে কোন ফন্ট ব্যবহার করবেন তা আগে থেকে ঠিক করে ফেলুন |

৫ | সঠিক কালার ব্যবহার করুন

যারা নতুন কাজ শুরু করেছেন তাদের একটি বড় সমস্যা কালার সিলেক্ট করা | ডিজাইনে কোন কোন কালার ব্যবহার করবেন বুঝে উঠতে পারেন না | শেষ পর্যন্ত এমন কিছু কালার ব্যবহার করেন যা একটি অন্যটির সাথে সামঞ্জস্য নয় | আপনাকে অবশ্যই কালার নির্বাচনে সতর্ক হতে হবে যাতে করে ডিজাইন টি ফুটে ওঠে | কালার নির্বাচনে আপনাকে সাহায্য করবে ADOBE COLOR WHEEL  | অথবা আপনি বেছে নিতে পারেন বেশি ব্যবহার করা কালার গুলো থেকে | দেখুন এই লিংকে

৬ | মেজারমেন্ট ঠিক রাখুন

আপনার ডিজাইনে এর মেজারমেন্ট ঠিক রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ |  এলোমেলো ভাবে ডিজাইন করা ঠিক না | সঠিক মেজারমেন্ট এ ডিজাইন করলে দেখতে সুন্দর হবে এবং প্রোফেশনাল লুক নিয়ে আসবে |

৭ | সিম্পল ডিজাইন করুন

ডিজাইন করার সময় যতটা সিম্পল করা যায় ততটা আপনার জন্য ভালো | আপনি ধীরেধীরে কাজ শিখে তারপরে কমপ্লেক্স ডিজাইনের দিকে যাবেন |

৮ | ডিজাইন শেয়ার করুন

আপনার করা ডিজাইনটি আপনার পরিচিত মাধ্যমে শেয়ার করুন সেটা হতে পারে ফেইসবুক | পরিচিতদের কাছ থেকে আপনার ডিজাইন এর ফিডব্যাক নিন তাদের জিজ্ঞাস করুন আপনার ডিজাইনটি কেমন হয়েছে | তাদের ফিডব্যাক দেখে আপনার ডিজাইন পরিবর্তন করুন | যদি আপনার পরিচিত কেউ প্রোফেশনাল ডিজাইনার থাকেন তাহলে তাকেও দেখাতে পারেন, সে আপনার ভুলগুলো আপনাকে ধরিয়ে দেবেন |

৯ | আপনার কাজকে ভালোবাসুন

আপনি একজন প্রোফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার কাজকে ভালবাসতে হবে | আপনি যদি আপনার কাজকে ভালো না বাসেন তাহলে এই কাজ করতে আপনার ভালো লাগবেনা| বেশি দিন এই কাজ করতে পারবেন না | নতুন কিছু শিখতে ইচ্ছা করবে না, ফলাফল আপনি কিছুদিন পরে আপনার কাজ ছেড়ে দেবেন |

১০ | প্রোফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনার এর কাছে শিখুন

যারা প্রোফেশনাল কাজ শিখতে চান, তারা যেখানেই শেখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বা নেবেন শুরু করার আগে অবশ্যই জেনে নিন যার কাছে শিখবেন সে আসলে প্রোফেশনাল কি না | একজন প্রোফেশনাল ডিজাইনার জানেন কিভাবে আর একজন প্রোফেশনাল ডিজাইনার তৈরী করতে হয়, তিনি শুরু থেকেই আপনাকে তার মত করে গড়ে তুলবেন |

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে আয় করুন ঘরে বসেই।

 বর্তমানে বিভিন্ন কাজেই গ্রাফিক ডিজাইন ব্যবহার করা হয়।





 

গ্রাফিক ডিজাইন কি? 

সহজ কথায় গ্রাফিক ডিজাইন বলতে বোঝায় রং, আকার,ওআকৃতির সমন্বয়।অর্থাৎ অবস্তুগত কোন বিষয় বা আইডিয়া কে, ব্যাক্তি ভাবনা, শিল্পবোধ ও দক্ষতার মাধ্যমে দৃশ্যমান করে তোলার প্রক্রিয়া ই হল গ্রাফিক ডিজাইন।টেকনোলজির ভাষায় নির্দিষ্ট কোন প্রোগ্রাম বা কোন সফটওয়্যারের সাহায্যে যেকোন ডিজাইন তৈরি করলে সেই ডিজাইনকে গ্রাফিক ডিজাইন বলে। কয়েকটি জনপ্রিয় ও সময় উপযোগী গ্রাফিকডিজাইন সফটওয়্যারের উদারহণ হল, অ্যাডোবি ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, কোরেল ড্র, ভেক্টর গ্রাফিক এডিটর, পিক্সেলার, অটোডেস্ক স্কেচ প্রো, পিকটো-চার্ট, এফিনিটি ডিজাইনার, স্কেচ আপ ও মেডিব্যাঙ পেইন্ট ইত্যাদি ।

 

গ্রাফিক ডিজাইনের ব্যাবহার

বর্তমানে বিভিন্ন কাজেই গ্রাফিক ডিজাইন ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো, লোগো ডিজাইন, ডিজিটাল এডভারটাইজমেন্ট, ব্যানার বিজ্ঞাপন, অ্যালবামকভার, অ্যানিমেশন, প্রোডাক্ট ডিজাইন,টি শার্ট এবং জামা কাপড় ডিজাইনবিভিন্ন গ্রিটিং কার্ড, বিজনেস ও ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন ইত্যাদি। এছাড়াও গবেষণার ফলাফল বা বিভিন্ন তথ্য সহজভাবে উপস্থাপন করতে, বিভিন্ন ব্লগএবং ওয়েবসাইটগুলোতে এর ব্যবহার হচ্ছে।

 

কেন শিখবেন? 

বর্তমানে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীগণ বিশেষ কিছু চাকরির ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেন এবং এ কারণে স্বাভাবিক ভাবেই এ সকল চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতাটা তুলনামূলকভাবে বেশি,যার ফলে যোগ্যতা থাকার পরেও সকলেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারেন না।অপরদিকে এমন অনেক বিষয় আছে যেখানে উপযুক্ত দক্ষতা থাকলে খুব সহজেই সম্মানজনক ভাবে টাকা উপার্জন সম্ভব।গ্রাফিক ডিজাইনের মাধ্যমেএকজন ব্যাক্তি তার সৃজনশীলতা ও দক্ষতা ভেদেঘরে বসেই মাসে কমপক্ষে ২০ হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। অফলাইন বা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এখনকার সময় এ একজন দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনারের চাহিদা প্রচুর।

 

ঘরে বসে কিভাবে শিখবেন? 

বিনা খরচায় গ্রাফিক ডিজাইনিং এর কাজ শিখতে যে যে মাধ্যম গুলো আমরা ব্যাবহার করতে পারি সেগুলো হলঃ

ইউটিউব:-

ইউটিউব এর মাধ্যমে আমরা সহজেই গ্রাফিক ডিজাইন টিউটোরিয়ালের ভিডিও পেতে পারি যা দেখেখুব সহজেই এ বিষয়ে ধারনা নেওয়া সম্ভব। কিছু জনপ্রিয় গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল হল চ্যানেল হলঃ

A.J.P Urmi IT Institute


ফেইসবুক পেজ:- 


এখানে প্লে লিস্ট থেকে আপনি গ্রাফিক্স সংক্রান্ত ভিডিওগুলোর মাধ্যমে বেসিক থেকে শুরু করে ক্রিয়েটিভ পর্যন্ত সকল ধরণের টিউটোরিয়াল বিনামূল্যে পাবেন।

লোগো, টি-শার্ট, পোষ্টার ডিজাইন সহ ভিসিটিং কার্ড এ ডিজাইন সংক্রান্ত সকল টিউটোরিয়াল  এই চ্যানেলটিতে একসাথে পাওয়া যাবে।

ফটোশপ এর একেবারে বেসিক বিষয় এই প্লেলিস্ট এর ভিডিও গুলো দেখে শিখে নিতে পারবেন। ডিজাইন বিষয়ে বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে গ্রাফিক ডিজাইন সংক্রান্ত সকল কাজ শেখা সম্ভব।

 

 

Tuesday, December 8, 2020

কম্পিউটারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট কী - টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে আসবে।

 



কম্পিউটারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট কী, 
টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে আসবে।

Important Shortcut Keys for Computer-
CTRL+A. . . . . . . . . . . . . . . . . Select All
CTRL+C. . . . . . . . . . . . . . . . . Copy
CTRL+X. . . . . . . . . . . . . . . . . Cut
CTRL+V. . . . . . . . . . . . . . . . . Paste
CTRL+Z. . . . . . . . . . . . . . . . . Undo
CTRL+B. . . . . . . . . . . . . . . . . Bold
CTRL+U. . . . . . . . . . . . . . . . . Underline
CTRL+I . . . . . . . . . . . . . . . . . Italic
F1 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Help
F2 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Rename selected object
F3 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Find all files
F4 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Opens file list drop-down in dialogs
F5 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Refresh current window
F6 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Shifts focus in Windows Explorer
F10 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Activates menu bar options
ALT+TAB . . . . . . . . . . . . . . . . Cycles between open applications
ALT+F4 . . . . . . . . . . . . . . . . . Quit program, close current window
ALT+F6 . . . . . . . . . . . . . . . . . Switch between current program windows
ALT+ENTER. . . . . . . . . . . . . . Opens properties dialog
ALT+SPACE . . . . . . . . . . . . . . System menu for current window
ALT+¢ . . . . . . . . . . . . . . . . . . opens drop-down lists in dialog boxes
BACKSPACE . . . . . . . . . . . . . Switch to parent folder
CTRL+ESC . . . . . . . . . . . . . . Opens Start menu
CTRL+ALT+DEL . . . . . . . . . . Opens task manager, reboots the computer
CTRL+TAB . . . . . . . . . . . . . . Move through property tabs
CTRL+SHIFT+DRAG . . . . . . . Create shortcut (also right-click, drag)
CTRL+DRAG . . . . . . . . . . . . . Copy File
ESC . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Cancel last function
SHIFT . . . . . . . . . . . . . . . . . . Press/hold SHIFT, insert CD-ROM to bypass auto-play
SHIFT+DRAG . . . . . . . . . . . . Move file
SHIFT+F10. . . . . . . . . . . . . . . Opens context menu (same as right-click)
SHIFT+DELETE . . . . . . . . . . . Full wipe delete (bypasses Recycle Bin)
ALT+underlined letter . . . . Opens the corresponding menu
PC Keyboard Shortcuts
Document Cursor Controls
HOME . . . . . . . . . . . . . . to beginning of line or far left of field or screen
END . . . . . . . . . . . . . . . . to end of line, or far right of field or screen
CTRL+HOME . . . . . . . . to the top
CTRL+END . . . . . . . . . . to the bottom
PAGE UP . . . . . . . . . . . . moves document or dialog box up one page
PAGE DOWN . . . . . . . . moves document or dialog down one page
ARROW KEYS . . . . . . . move focus in documents, dialogs, etc.
CTRL+ > . . . . . . . . . . . . next word
CTRL+SHIFT+ > . . . . . . selects word
Windows Explorer Tree Control
Numeric Keypad * . . . Expand all under current selection
Numeric Keypad + . . . Expands current selection
Numeric Keypad – . . . Collapses current selection
¦ . . . . . . . . . . . . . . . . . . Expand current selection or go to first child
‰ . . . . . . . . . . . . . . . . . . Collapse current selection or go to parent
Special Characters
‘ Opening single quote . . . alt 0145
’ Closing single quote . . . . alt 0146
“ Opening double quote . . . alt 0147
“ Closing double quote. . . . alt 0148
– En dash. . . . . . . . . . . . . . . alt 0150
— Em dash . . . . . . . . . . . . . . alt 0151
… Ellipsis. . . . . . . . . . . . . . . . alt 0133
• Bullet . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0149
® Registration Mark . . . . . . . alt 0174
© Copyright . . . . . . . . . . . . . alt 0169
™ Trademark . . . . . . . . . . . . alt 0153
° Degree symbol. . . . . . . . . alt 0176
¢ Cent sign . . . . . . . . . . . . . alt 0162
1⁄4 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0188
1⁄2 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0189
3⁄4 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0190
PC Keyboard Shortcuts
Creating unique images in a uniform world! Creating unique images in a uniform world!
é . . . . . . . . . . . . . . . alt 0233
É . . . . . . . . . . . . . . . alt 0201
ñ . . . . . . . . . . . . . . . alt 0241
÷ . . . . . . . . . . . . . . . alt 0247
File menu options in current program
Alt + E Edit options in current program
F1 Universal help (for all programs)
Ctrl + A Select all text
Ctrl + X Cut selected item
Shift + Del Cut selected item
Ctrl + C Copy selected item
Ctrl + Ins Copy selected item
Ctrl + V Paste
Shift + Ins Paste
Home Go to beginning of current line
Ctrl + Home Go to beginning of document
End Go to end of current line
Ctrl + End Go to end of document
Shift + Home Highlight from current position to beginning of line
Shift + End Highlight from current position to end of line
Ctrl + f Move one word to the left at a time
Ctrl + g Move one word to the right at a time
MICROSOFT® WINDOWS® SHORTCUT KEYS
Alt + Tab Switch between open applications
Alt +
Shift + Tab
Switch backwards between open
applications
Alt + Print
Screen
Create screen shot for current program
Ctrl + Alt + Del Reboot/Windows® task manager
Ctrl + Esc Bring up start menu
Alt + Esc Switch between applications on taskbar
F2 Rename selected icon
F3 Start find from desktop
F4 Open the drive selection when browsing
F5 Refresh contents
Alt + F4 Close current open program
Ctrl + F4 Close window in program
Ctrl + Plus
Key
Automatically adjust widths of all columns
in Windows Explorer
Alt + Enter Open properties window of selected icon
or program
Shift + F10 Simulate right-click on selected item
Shift + Del Delete programs/files permanently
Holding Shift
During Bootup
Boot safe mode or bypass system files
Holding Shift
During Bootup
When putting in an audio CD, will prevent
CD Player from playing
WINKEY SHORTCUTS
WINKEY + D Bring desktop to the top of other windows
WINKEY + M Minimize all windows
WINKEY +
SHIFT + M
Undo the minimize done by WINKEY + M
and WINKEY + D
WINKEY + E Open Microsoft Explorer
WINKEY + Tab Cycle through open programs on taskbar
WINKEY + F Display the Windows® Search/Find feature
WINKEY +
CTRL + F
Display the search for computers window
WINKEY + F1 Display the Microsoft® Windows® help
WINKEY + R Open the run window
WINKEY +
Pause /Break
Open the system properties window
WINKEY + U Open utility manager
WINKEY + L Lock the computer (Windows XP® & later)
OUTLOOK® SHORTCUT KEYS
Alt + S Send the email
Ctrl + C Copy selected text
Ctrl + X Cut selected text
Ctrl + P Open print dialog box
Ctrl + K Complete name/email typed in address bar
Ctrl + B Bold highlighted selection
Ctrl + I Italicize highlighted selection
Ctrl + U Underline highlighted selection
Ctrl + R Reply to an email
Ctrl + F Forward an email
Ctrl + N Create a new email
Ctrl + Shift + A Create a new appointment to your calendar
Ctrl + Shift + O Open the outbox
Ctrl + Shift + I Open the inbox
Ctrl + Shift + K Add a new task
Ctrl + Shift + C Create a new contact
Ctrl + Shift+ J Create a new journal entry
WORD® SHORTCUT KEYS
Ctrl + A Select all contents of the page
Ctrl + B Bold highlighted selection
Ctrl + C Copy selected text
Ctrl + X Cut selected text
Ctrl + N Open new/blank document
Ctrl + O Open options
Ctrl + P Open the print window
Ctrl + F Open find box
Ctrl + I Italicize highlighted selection
Ctrl + K Insert link
Ctrl + U Underline highlighted selection
Ctrl + V Paste
Ctrl + Y Redo the last action performed
Ctrl + Z Undo last action
Ctrl + G Find and replace options
Ctrl + H Find and replace options
Ctrl + J Justify paragraph alignment
Ctrl + L Align selected text or line to the left
Ctrl + Q Align selected paragraph to the left
Ctrl + E Align selected